আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান প্রকল্পঃ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন উদ্যোগ

আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান
আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময়ই বলে আসছেন— “যেটা কথা দিই, সেটা রাখি।” সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরপরই তিনি ঘোষণা করেছিলেন একটি নতুন কর্মসূচির। এবার সরকারি তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো সেই প্রকল্প— “আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান”

এই কর্মসূচি আসলে আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান (APS)” নামে পরিচিত, যা মূলত দুয়ারে সরকার ও দুয়ারে রেশনের মতো এক অভিনব উদ্যোগ। রাজ্যজুড়ে ছোটখাটো সমস্যার দ্রুত সমাধান, স্থানীয় মানুষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ এবং সরকারি পরিষেবাকে আরও সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যেই শুরু হয়েছে এই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন প্রকল্প ২০২৫

প্রকল্পের সূচনা ও উদ্দেশ্য

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন এই প্রকল্পটি। মূল লক্ষ্য হলো—

  • এলাকা ভিত্তিক সমস্যা সমাধান।
  • বেকারত্ব কমানো।
  • সরকারি পরিষেবা প্রত্যেক নাগরিকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।

প্রকল্প অনুযায়ী প্রতিটি পাড়ায় একটি করে সরকারি বুথ তৈরি হবে। এখানেই উপস্থিত থাকবেন সরকারি আধিকারিকরা, যারা এলাকার সাধারণ মানুষের কথা শুনে সমস্যার সমাধান করবেন।

ছোট ছোট সমস্যা যেমন—

  • নলকূপ বসানো বা মেরামতি – এলাকায় বিশুদ্ধ পানীয় জলের জন্য নতুন নলকূপ বসানো বা পুরনো নলকূপ মেরামতি করা।
  • বাড়ি বাড়ি পাইপলাইনের মাধ্যমে জলের সরবরাহ – প্রতিটি পরিবারে সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিষ্কার জল পৌঁছে দেওয়া।
  • রাস্তার LED বা সোলার লাইট বসানো – অন্ধকার রাস্তায় নিরাপত্তা ও আলোর জন্য এলইডি বা সৌর আলো বসানো।
  • বিদ্যুতের খুঁটি বসানো, বিদ্যুৎ সংযোগ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান – ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা সংযোগ সমস্যা দ্রুত সমাধান করা।
  • রাস্তার গর্ত মেরামত – মানুষের নিরাপদ চলাচল ও দুর্ঘটনা রোধে ভাঙা রাস্তায় গর্ত দ্রুত মেরামত করা।
  • বর্জ্য ও নিকাশি ব্যবস্থা – ড্রেন পরিষ্কার ও বর্জ্য অপসারণের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা ও দূষণ রোধ করা।
  • স্কুল বা ICDS সেন্টারের ছাদ মেরামত, অঙ্গনওয়াড়ির ছাদ সংস্কার – শিশু ও মহিলাদের সুরক্ষার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গনওয়াড়ির ছাদ মেরামত করা।
  • পুকুর সংস্কার, ঘাট বাঁধানো – স্থানীয় জলাশয় পরিষ্কার করা ও ঘাট বাঁধানো হয় যাতে মানুষ নিরাপদে ব্যবহার করতে পারেন।
  • শৌচালয় নির্মাণ বা সংস্কার – স্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য নতুন শৌচালয় তৈরি বা পুরনোটি সংস্কার করা।
  • কমিউনিটি সেন্টার ও বাসস্টপ মেরামতি – জনগণের ব্যবহারের জন্য কমিউনিটি সেন্টার ও বাসস্টপ সংস্কার করা।
  • প্রাইমারি স্কুলে রং করা, বেঞ্চের ব্যবস্থা – শিশুদের জন্য আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরিতে স্কুলে রং করা ও নতুন বেঞ্চ বসানো।
  • ফুটপাত তৈরি বা সংস্কার – সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধার জন্য নতুন ফুটপাত তৈরি বা ভাঙা ফুটপাত মেরামতি।
  • অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবস্থা – জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য এলাকায় সহজলভ্য অ্যাম্বুল্যান্স সুবিধা রাখা।
  • রিকশা/অটো স্ট্যান্ড তৈরি – যাত্রীদের সুবিধা ও শৃঙ্খলার জন্য রিকশা ও অটো স্ট্যান্ড তৈরি করা হয়।

—এই ধরনের কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

কীভাবে চলবে এই প্রকল্প?

  • রাজ্যে মোট ৮০,০০০ বুথ রয়েছে। তিনটি বুথ মিলে একটি কেন্দ্র বা পাড়া গঠন করা হবে।
  • প্রত্যেক বুথে একদিন করে ক্যাম্প হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক বুথে সারাদিন সরকারি অফিসাররা থাকবেন এবং স্থানীয় মানুষের সমস্যা শুনবেন।
  • গোটা প্রকল্প সম্পূর্ণ করতে প্রায় দুই মাস সময় লাগবে। ৬০ দিনের মধ্যে সমস্ত বুথ কভার করা হবে।
  • প্রকল্প চলবে ২ আগস্ট থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত (পূজোর ছুটি বাদ দিয়ে, দুর্গাপুজো ও কালীপুজোর সময় ১৫ দিনের বিরতি থাকবে।)।
  • প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে ক্যাম্প।
  • ক্যাম্প শেষ হওয়ার পর ১৫ নভেম্বর মধ্যে ফাইনাল রিভিউ সম্পন্ন হবে এবং ১৫ জানুয়ারির মধ্যে সমস্ত সুবিধা মানুষের হাতে পৌঁছে যাবে।
  • ছোটখাটো কাজ (গর্ত ভরাট, আলো বসানো, নলকূপ মেরামত) তৎক্ষণাৎ করা হবে।
  • বড় সমস্যা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে সমাধানের ব্যবস্থা করা হবে।
  • মনিটরিং ও স্বচ্ছতাঃ প্রতিটি কাজ অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে রেকর্ড করা হবে। জেলা ও রাজ্য স্তরে মনিটরিং কমিটি (চিফ সেক্রেটারি, অফিসার, পুলিশ) নজর রাখবে।
  • চূড়ান্ত রিপোর্টঃ ১৫ই নভেম্বর এর মধ্যে কাজের তালিকা তৈরি হবে।
  • ১৫ই জানুয়ারির মধ্যে সাধারণ মানুষ সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন।

অর্থনৈতিক দিক

  • প্রতিটি বুথের জন্য বরাদ্দ: ১০ লক্ষ টাকা
  • মোট ব্যয়: প্রায় ৮,০০০ কোটি টাকা

এই বিপুল অর্থ সরাসরি বুথভিত্তিক উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে, ফলে কোনো এলাকাই বঞ্চিত হবে না। এর মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহুরে মানুষের প্রয়োজনীয় পরিষেবা ও অবকাঠামো দ্রুত উন্নত করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ, প্রতিটি বুথে সমস্যার সমাধানের জন্য একটি নির্দিষ্ট ও পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত থাকবে।

কোন কোন পরিষেবা পাওয়া যাবে?

আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান প্রকল্প” ক্যাম্প থেকে নিচের সুবিধাগুলি পাওয়া যাবে—

  • এলাকার রাস্তা, ড্রেন, আলো, পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা।
  • স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি, ICDS সেন্টার ইত্যাদির মেরামত।
  • দুয়ারে সরকার প্রকল্পের সুবিধা (লক্ষ্মীর ভান্ডার, কৃষক বন্ধু, স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, সবুজ সাথী ইত্যাদি)।
  • জমি মিউটেশন, রেশন কার্ড সংশোধনসহ নানা কাগজপত্রের কাজ।
  • স্থানীয় মানুষের সমস্যার সরাসরি অভিযোগ জানানো ও সমাধান।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

মুখ্যমন্ত্রী বলেন—

  • “আমরা দুয়ারে সরকার করে দেখিয়েছি। প্রায় ১০ কোটি মানুষ অংশ নিয়েছিলেন এবং ৯০% কাজ শেষ হয়েছে। এবার আরও গভীরে মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাই।”
  • “গ্রামের ছোট ছোট সমস্যা যেমন কল বসানো, বিদ্যুতের পোল, স্কুলের ছাদ মেরামত—এসব নিয়ে সরকার এবার সরাসরি মানুষের পাশে থাকবে।”
  • “আমাদের অফিসাররা বুথে বুথে গিয়ে মানুষের কথা শুনবেন, কাগজ নেবেন, এবং অনলাইনের মাধ্যমে কাজের স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে।”
  • “এটি দেশের মধ্যে প্রথম এই ধরনের উদ্যোগ। স্মল ইজ বিউটিফুল—এই দর্শনকে সামনে রেখেই আমরা এগোচ্ছি।”

কেন্দ্র-রাজ্যের দ্বন্দ্ব

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে কেন্দ্র সরকার একাধিক প্রকল্পের টাকা আটকে দিয়েছে, যেমন—

  • ১০০ দিনের কাজের টাকা
  • গ্রামীণ আবাস যোজনা
  • গ্রামীণ রাস্তা প্রকল্প
  • জল জীবন মিশনের অর্থ

তবুও রাজ্য সরকার নিজের উদ্যোগে এই প্রকল্প চালু করেছে যাতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার না হন।

এর ফলে কী কী উপকার হবে?

  1. স্থানীয় সমস্যার দ্রুত সমাধান – আগে যেখানে পঞ্চায়েত বা পৌরসভায় ঘুরে বেড়াতে হতো, এখন সরাসরি বুথেই সমাধান হবে।
  2. বেকারত্ব হ্রাস – প্রতিটি বুথে সরকারি কার্যক্রম চালু হওয়ায় কর্মসংস্থানও তৈরি হবে।
  3. স্বচ্ছতা বৃদ্ধি – সব কাজ অনলাইনের মাধ্যমে নথিভুক্ত হবে।
  4. মানুষের আস্থা অর্জন – সাধারণ মানুষ অনুভব করবেন যে সরকার সত্যিই তাদের পাশে রয়েছে।
  5. সময় বাঁচবে – ছোটখাটো কাজের জন্য আর জেলা সদর পর্যন্ত যেতে হবে না।

দুয়ারে সরকার বনাম আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান

রাজ্য সরকারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো দুয়ারে সরকারআমাদের পাড়া আমাদের সমাধান। দুয়ারে সরকারের মূল লক্ষ্য হলো জনগণের কাছে সরাসরি সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। নির্দিষ্ট ক্যাম্পের মাধ্যমে নাগরিকেরা সরকারি প্রকল্পে আবেদন করতে পারেন এবং সুবিধা পেতে পারেন। এখানে সময়সীমা সীমিত, নির্দিষ্ট কয়েকদিন ধরে এই পরিষেবা চলে। এর ফলে আবেদন ও স্কিম বিতরণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়।

অন্যদিকে, আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান মূলত স্থানীয় সমস্যার সমাধানকেন্দ্রিক। প্রতিটি বুথে বুথে ক্যাম্প বসে, যেখানে ছোটখাটো সমস্যা যেমন পানীয় জল, নালা-নর্দমা, রাস্তার সমস্যা ইত্যাদি সমাধানের পাশাপাশি সরকারি স্কিম সম্পর্কিত সুবিধাও দেওয়া হয়। এর বিশেষত্ব হলো এটি ধারাবাহিকভাবে দুই মাস ধরে চলে, ফলে মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে পরিষেবা পেতে পারেন।

মূল পয়েন্ট:

  • লক্ষ্য: দুয়ারে সরকার → সরকারি পরিষেবা; আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান → সমস্যা সমাধান + পরিষেবা।
  • কাঠামো: দুয়ারে সরকার → নির্দিষ্ট ক্যাম্প; আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান → বুথ ভিত্তিক ক্যাম্প।
  • সুবিধা: দুয়ারে সরকার → আবেদন ও স্কিম বিতরণ; আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান → সমস্যা সমাধান + স্কিম।
  • সময়কাল: দুয়ারে সরকার → সীমিত সময়; আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান → ধারাবাহিক দুই মাস।

সারকথা, দুয়ারে সরকার দ্রুত সরকারি পরিষেবা দেওয়ার প্রকল্প হলেও আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান আরও স্থানীয় ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা সমাধানে কার্যকর।

রাজ্যের মানুষের প্রত্যাশা

রাজ্যবাসীর আশা—

  • এই প্রকল্পে সত্যিই যেন এলাকার সমস্যাগুলি সমাধান হয়।
  • বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরি হয়।
  • রাজনীতির বাইরে থেকে নিরপেক্ষভাবে কাজ সম্পন্ন হয়।

“আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান” নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। দুয়ারে সরকার যেমন মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন এনেছিল, তেমনি এই প্রকল্পও ছোটখাটো কিন্তু জরুরি সমস্যাগুলোর সমাধানে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেমন বলেছেন—

“মানুষ যেন নিজের সমস্যার কথা নিজে বলতে পারে, সরকার যেন মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়।”

এখন দেখার বিষয়, প্রকল্পটি কত দ্রুত ও কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে।

এই প্রকল্পটি সম্বন্ধে কয়েকটি প্রশ্ন ও উত্তর

1. এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য কী?

→ সাধারণ মানুষের ছোটখাটো সমস্যাগুলো পাড়াতেই সমাধান করা এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, মানুষের দরজায় গিয়ে সমস্যার সমাধান হবে, যাতে তাদের বারবার অফিসে ঘুরতে না হয়।

2. কারা সমস্যার সমাধান করবেন?
→ এই প্রকল্পে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক ও সরকারি কর্মচারীরা একসাথে কাজ করবেন। মানে পাড়ার টিমে সরকার ও প্রশাসন দুই পক্ষই থাকবে।

3. কোন ধরণের সমস্যার সমাধান হবে?
→ মূলত দৈনন্দিন জীবনের সমস্যাগুলি – যেমন পানীয় জল, রাস্তা, আলো, নালা-নর্দমা, বিদ্যুৎ সংযোগ, সরকারি সুবিধার আবেদনপত্র ইত্যাদি। তবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার মতো বিষয়েও কিছুটা সহায়তা দেওয়া হবে।

4. অভিযোগ কিভাবে জানানো যাবে?
→ মানুষ সরাসরি পাড়ায় গিয়ে টিমের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন। পাশাপাশি লিখিতভাবে আবেদন করা যাবে, এবং ভবিষ্যতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ব্যবস্থাও হতে পারে।

5. কত দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে?
→ প্রকল্পে বলা হয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সমাধান করা হবে। যদিও সময়সীমা সমস্যা অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে, তবে দ্রুত সমাধান দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

6. রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে কি?
→ সরকার জানিয়েছে, এই প্রকল্প সব মানুষের জন্য, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে। তবে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন আছে, রাজনৈতিক প্রভাব পড়ে কি না।

7. পূর্ববর্তী প্রকল্পের মতোই হবে নাকি নতুন কিছু যোগ হবে?
→ আগে “পাড়ায় সমাধান” প্রকল্প চালু ছিল। “আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান” হলো তার দ্বিতীয় সংস্করণ, যেখানে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছনো, দ্রুত সমাধান ও সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

8. সুবিধাভোগীর হিসাব কিভাবে রাখা হবে?
→ প্রকল্পে প্রতিটি অভিযোগের নথি রাখা হবে এবং কতগুলো সমস্যা সমাধান হলো তার রিপোর্ট তৈরি হবে। ভবিষ্যতে এই রিপোর্ট জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

Next Post
No Comment
Add Comment
comment url